October 16, 2026, 6:18 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কার মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, দুই বাংলাদেশী নারী-পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর রূপপুরে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন, পর্যবেক্ষণে ২০ হাজার যন্ত্রপাতি সমাবর্তনের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সকল কমিটিকে নির্দেশনা উপাচার্যের কুষ্টিয়ায় জমি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি কুষ্টিয়ায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ইসির: প্রথম ধাপের ভোট ২১ জানুয়ারি, শেষ হবে মে মাসে ডেঙ্গু: শুধু মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্রের সক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে? কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পুশইনের দুটি চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতকে নতুনভাবে সাজাতে হবে: ইবি উপাচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্তন ক্যান্সার সচেতনতায় ‘গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা’

২০০৩ সালের একটি মিথ্যা মামলায় ২১ বছর জেল খাটার পর মুক্তি !

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
২০০৩ সালের একটি মিথ্যা মামলায় ২১ বছর জেল খাটার পর অবশেষে মুক্তি মিলেছে খুলনার বটিয়াঘাটার ইব্রাহিম আলী শেখ সাগরের। এর মাঝে ২০১৭ সালে খালাস পাওয়ার পরও মুক্তি মেলেনি। অবশেষে শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
কারাগার সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে ইব্রাহিম খালাসের আদেশ পেলেও কারাগারে রিলিজ অর্ডার (মুক্তির আদেশ) না আসায় মুক্তি পাননি। অবশেষে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার নুরশেদ আহমেদ ভূঁইয়া ও জেলার মো. শরিফুল আলমের প্রচেষ্টায় আট বছর কারাভোগের পর তার মুক্তি মিলেছে।
২০০৩ সালের একটি হত্যা মামলায় আদালত ইব্রাহিমকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে মামলাটি উচ্চ আদালতে গেলে ২০১৭ সালে খালাস পান তিনি। কিন্তু কারাগারে তার মুক্তির আদেশ পৌঁছায়নি। ফলে বিনা অপরাধে আট বছর কারাভোগ করেন তিনি।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিষয়টি নজরে আসে কারা কর্তৃপক্ষের। এরপর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার বিষয়টি যাচাই বাছাই করেন। তিনি নিজ উদ্যোগে আদালতের সঙ্গে যোগাযোগ করে মুক্তির আদেশ সংগ্রহ করেন। গত ৪ ফেব্রুয়ারি তার মুক্তির আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এরপর যাবতীয় যাচাইবাছাই শেষে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে শনিবার মুক্তি পান। এসময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেনের বলেন, অধিদপ্তরে আমি নতুন এসেছি। যেখানে যে সমস্যা আছে সব সমাধানের চেষ্টা করছি। আমরা বন্দিদের নিয়েই কাজ করে আসছি। তাদের যাতে কোনো ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয় সেজন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
তিনি এ ঘটনায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার নুরশেদ আহমেদ ভূঁইয়া ও জেলার মো. শরিফুল আলমকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাদের পুরস্কৃত করারও ঘোষণা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net